News Title: সুস্থ থাকতে প্রতিদিন কখন ও কতক্ষণ হাঁটবেন?

সুস্থ থাকতে হলে প্রতিদিন হাঁটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সকালে বা বিকালে হাঁটলে শরীরে খুব ভালো ব্যায়াম হয় এবং ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের হয়ে যায় ও রোগ প্রতিরাধ ক্ষমতা বাড়ে।

তবে আধুনিক জীবনযাপনের ফলে এখন দৈনন্দিন শারীরিক কার্যক্রম হচ্ছে না বললেই চলে। যার ফলে শরীরে বাসা বাঁধছে বিভিন্ন অসুখ-বিসুখ।
যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, আথ্র্রাইটিস, ওবেসিটি বা স্থূলতা, মাংসপেশির শক্তি কমে যাওয়া, অষ্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ভঙ্গুরতা ইত্যাদি।

সুস্থ থাকতে হলে হাঁটার বিকল্প নেই। তবে এখন প্রশ্ন হলো– কখন ও কতক্ষণ হাঁটবেন?

কখন ও কত সময় হাঁটবেন

প্রতিদিন কমপক্ষে ৪০-৪৫ মিনিট হাঁটুন। এ ছাড়া যদি হাঁটতে ভালো লাগে তবে হাঁটার সময়টা ১ ঘণ্টা পর্যন্তও হতে পারে। যারা বেশি হাঁটতে পারেন না, তারা ওই ৪০ মিনিট হাঁটার সময়ে ১০ মিনিটের বিরতি দিতে পারেন। পাঁচ দিন ৩০ মিনিট করে ১৫০ মিনিট হাঁটলেও আপনি সুস্থ থাকবেন।

তবে কখনই ৩০ মিনিটের কম হাঁটা উচিত হবে না। সকালে বা বিকালে হাঁটা শরীরের জন্য ভালো।

হাঁটার গতি কেমন হবে

হাঁটার সময় অনেকে বুঝতে পারেন না যে, হাঁটার গতি কেমন হবে। তবে হাঁটার জন্য তেমন নির্দিষ্ট কোনো গতি নেই। প্রথমে ধীরে ধীরে হাঁটা শুরু করার পর আস্তে আস্তে গতি বাড়াতে হবে। শরীরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যতটুকু পারা যায় গতি বাড়াতে হবে।

লেখক: বাত-ব্যথা, প্যারালাইসিস রোগে ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ, চেয়ারম্যান এবং চিফ কনসালট্যান্ট, ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল, ধানমণ্ডি, ঢাকা।


News Title: করোনা: এ সময় নিরাপদে ভ্রমণ করতে করণীয়

সরকারি ছুটি শেষ হওয়ার পর দেশের মানুষের জীবনযাত্রা অনেকটাই স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

খুলেছে সরকারি-বেসরকারি অফিস ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া বাস, ট্রেন, লঞ্চ ও বিমান চলাচল শুরু হয়েছে।

তবে এ সময় ভ্রমণ মোটেও নিরাপদ নয়। তবু জরুরি প্রয়োজনে ভ্রমণ করতে চাইলে মানতে হবে বাড়তি সতর্কতা।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে নিরাপদে ভ্রমণের কিছু পরামর্শ দেয়া হয়েছে।


১. এ সময় ভ্রমণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিকল্প নেই। সংক্রমণ রোধে বাস, ট্রেন ও বিমান ভ্রমণে মানতে হবে সামাজিক দূরত্ব।

২. সঙ্গে থাকা ব্যাগ জীবাণুমুক্ত করতে হবে যানবাহন থেকে নেমেই।

৩. ব্যক্তিগত হ্যান্ড স্যানিটাইজার সঙ্গে রাখুন। বাসের আসন জীবাণুমুক্ত করার জন্য সঙ্গে রাখতে হবে জীবাণুনাশক স্প্রে।

৪. বাসের যে কোনো স্থান স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। এ সময় গ্লাভস পরবেন।

৫. বিমান ও ট্রেনের শৌচাগার খুব বেশি প্রয়োজন না হলে ব্যবহার করবেন না।

৬. হাত দিয়ে মুখমণ্ডল স্পর্শ করবেন না ও মুখ থেকে মাস্ক খুলবেন না। অন্য যাত্রীদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন। চেষ্টা করুন জানালার পাশের আসনে বসার।

৭. বাইরের কেনা খাবার খাবেন না। বাসার তৈরি খাবার সঙ্গে রাখুন।


End of Today's News

টিএমএসএস কর্তৃক ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা কার্যক্রম

দেশের স্বনামধন্য এনজিও প্রতিষ্ঠান টিএমএসএস এর স্বাস্থ্য সেক্টর সারাদেশে  ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা মূলক কার্যক্রম শুরু করেছে। সাধারন মানুষের মধ্যে প্রচারের জন্য সংস্থাকর্তৃক লিফলেট প্রচারের মাধ্যমে জনসাধারন, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, ইউনিভার্সিটি এবং গ্রাম পর্যায়ের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে  কাজ করে যাচ্ছে।

 

সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ে ডে

[Continue Reading ...]

হার্ট সুস্থ রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম

হৃদরোগ মানেই সামান্য পরিশ্রমেও বিপদের ভয়, আর হাত ধরে নাকচ প্রায় সব কষ্টসাধ্য ব্যায়াম! অনেকে এমনটাই ভাবেন।কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, বিষয়টা মোটেও এমন নয় বরং নিয়ন্ত্রিত ব্যায়ামই হৃদরোগে সুস্থ থাকার চাবিকাঠি।

 

তবে তা একেবারেই তাড়াহুড়ো করে শরীরকে জোর করে মানিয়ে নয়। বরং কী ভাবে ব্যায়াম করছেন আর কী কী ব্যায়াম করছেন তার উপরেই নির্ভর করবে আপনি হৃদরোগের সঙ্গে কত সক্রিয়

[Continue Reading ...]

স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় রসুন চা

আদা-চায়ের উপকারিতার কথা অনেকেই জানেন। কিন্তু শুনতে আশ্চর্য লাগলেও এটা সত্যি যে নিয়মিত রসুন-চা পান করলেও নানা ধরনের উপকারিতা পাওয়া যায়। সেই সঙ্গে শরীরও থাকে সুস্থ।

 

যারা নিয়মিত ঠান্ডা-কাশিতে ভোগেন তারা রসুন-চা খেতে পারেন। প্রাচীনকাল থেকে রসুন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। যারা অ্যালার্জির সমস্যায় ভোগেন তারাও নিয়মিত রসুন চা খেতে পারেন।

 

[Continue Reading ...]

শুরুতে শনাক্ত করলে ৫০ ভাগ কিডনি রোগ ঠেকানো সম্ভব

প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে শতকরা ৫০ ভাগ কিডনি রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। এ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে দেশের ১৬ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। পাশাপাশি বেশি বেশি নার্স, প্যারামেডিক্স ও কিডনি বিশেষজ্ঞ তৈরি করার উদ্যোগ গ্রহণ করাও জরুরি।

 

রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ কিডনি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দুদিনব্যাপী ১৪তম জাতীয় সম্মেলন ও বৈজ্ঞানিক সেমিনারের শেষদ

[Continue Reading ...]

চোখে এলার্জি সমস্যা ও প্রতিকার

অন্যান্য অ্যালার্জির মতো চোখেও এলার্জি হতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস বলা হয়। ধুলাবালি, সূক্ষ্ম ময়লা, রাসায়নিক পদার্থ বা খাবার থেকে চোখে এলার্জি হতে পারে।

 

চোখে এলার্জি হলে-চোখ লাল হয়ে যাওয়া, চোখে চুলকানি ও অনবরত পানি পড়া, চোখে খচখচ অনুভব হওয়া, চোখ ফুলে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণ সমূহ দেখা যায়। এই সকল লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের প

[Continue Reading ...]