News Title: বিশ্বে করোনায় তিন কোটি ৪১ লাখ মানুষ আক্রান্ত

বিশ্বজুড়ে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা তিন কোটি ৪১ লাখ ছাড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডো মিটারস এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে বলা হয়, করোনা ভাইরাস বৈশ্বিক মহামারিতে এ পর্যন্ত বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চল আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা তিন কোটি ৪১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৪। এর মধ্যে ১০ লাখ ১৮ হাজার ৭৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছে দুই কোটি ৫৪ লাখ ২৫ হাজার ৮৭২ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনা ভাইরাস। উৎপত্তিস্থল চীনে ৮৩ হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হলেও সেখানে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব কমে গেছে। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশে এই ভাইরাসের প্রকোপ বাড়ছে। চীনের বাইরে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ ১৩ গুণ বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে গত ১১ মার্চ বিশ্বজুড়ে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

আমেরিকার দুই মহাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ায় সংক্রমণ এখনও দ্রুত বাড়ছে। অন্যদিকে ইউরোপকে লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে করোনা কিছুটা স্তিমিত হলেও সেখানে আবারও নতুন করে রোগটির প্রাদুর্ভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। তবে আশার কথা হচ্ছে, এখন আক্রান্তের পর সুস্থ হওয়ার হার দ্রুত বাড়ছে।

ওয়ার্ল্ডো মিটারসের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭৪ লাখ ৪৭ হাজার ২৮২। মৃত্যু হয়েছে দুই লাখ ১১ হাজার ৭৪০ জনের।

আক্রান্তের হিসাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৩ লাখ ১০ হাজার ২৬৭। এর মধ্যে ৯৮ হাজার ৭০৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ব্রাজিলে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ লাখ ১৩ হাজার ৫৮৬। এর মধ্যে এক লাখ ৪৩ হাজার ৯৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

উৎপত্তিস্থল চীনে আক্রান্তের সংখ্যা ৮৫ হাজার ৪১৪। এরমধ্যে চার হাজার ৬৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও দেশটির বিরুদ্ধে প্রকৃত পরিস্থিতি গোপন করার অভিযোগ রয়েছে। উহানের একজন স্বেচ্ছাসেবী বলেন, বুদ্ধি-বিবেচনা সম্পন্ন যে কোনো মানুষ এই সংখ্যা (সরকারি পরিসংখ্যান) নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করবেন।

মহামারির শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে আসছিল, করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পেছনে চীনের ভূমিকা রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের সেই দাবিকে আরও জোরালো করে চীনের উহানের ল্যাবের এক ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ানের বক্তব্য।

লি মেং ইয়ান বলেন, চীনের ল্যাবেই তৈরি করা হয়েছে করোনা ভাইরাস। এটি মানুষের তৈরি বলে তার কাছে শতভাগ প্রমাণ রয়েছে।

হংকংয়ে জন্ম নেওয়া ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ান পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। বছরের শুরুতে তাকে চীন হত্যা করতে চেয়েছিল বলে ভয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যান তিনি।

তিনি জানান, চীনের পূর্বাঞ্চলে গত বছরের শেষ দিকে নিউমোনিয়ার মতো এই রোগ নিয়ে প্রথমদিকে গবেষণাকারীদের একজন ছিলেন তিনি। কিন্তু যখন রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে তখন তাকে নীরব ও সতর্ক থাকতে বলা হয়। তার সুপারভাইজার তাকে বলেন, আমরা সমস্যায় পড়ব এবং গুম হয়ে যাব।


End of Today's News

শীতে শিশুর গোসলে বাধা নেই

ঠাণ্ডা মানেই শিশুদের নিয়ে বাড়তি শঙ্কা, এই বুঝি বাচ্চার সর্দি হলো। শিশুর গোসল নিয়ে তো শঙ্কা আরও বেশি। কারণ শীতে গোসল করালে বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে বলে মনে করেন অনেকেই। আসলে কিন্তু সরাসরি ঠাণ্ডার কারণে বাচ্চাদের সর্দি হয় না। যদি ঠাণ্ডাতেই সর্দি হতো, তবে তো শীতপ্রধান দেশের শিশুরা বেশিরভাগ সময় অসুস্থই থাকত।

 

মূলত ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় ভাইরাসের কারণে বাচ্চা

[Continue Reading ...]

কি কি করবেন শিশুর মানসিক বিকাশেঃ

শিশুরা কোমলামতি, অনেকটাই নরম কাদামটির মতো। কুমার যেমন নরম কাদাকে তার ইচ্ছে মতো যে কোনো ধরনের পাত্রে রুপান্তর করতে পারেন ঠিক একটি শিশুকেও তার বাবা-মা সে ভাবে গড়ে তুলতে পারেন। সেটা শিশুর মানসিক বিকাশ, শিষ্টাচার, কথা বলা থেকে শুরু করে যে ভাবে চান ঠিক সে ভাবেই গড়ে উঠবে আপনার শিশু।

বিজ্ঞান বলছে শিশুর ভাষার বিকাশ শুরু হয় মাতৃগর্ভ থেকেই। তখন থেকেই শব্দের প্রতি সচেতন হয়। এ সময় উচ্চ

[Continue Reading ...]

ডেঙ্গু জ্বর কী ও করণীয় :

#ডেঙ্গু জ্বরের কারণ:
ডেঙ্গু জ্বর হচ্ছে চার ধরনের ভাইরাসজনিত ট্রপিক্যাল বা উষ্ণণ্ডলীয় রোগ। এটি সাধারণত ডেঙ্গু ভাইরাস আক্রান্ত এডিস মশকী দ্বারা ছড়ায়।

#রোগ লক্ষণ:
একজন ডেঙ্গু জ্বরে ব্যক্তির সাধারণত উচ্চ জ্বর হয় অর্থাৎ তাপমাত্রা ১০৪-১০৫ ডিগ্রী ফারেনহাইট বা তার থেকে বেশি হবে। সাথে নিম্ন

[Continue Reading ...]

গনোরিয়া কি? এর লক্ষন, সুপ্তিকাল, প্রতিকার:

★ গনোরিয়াঃ গনোরিয়া হচ্ছে ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রামিত একটি যৌন রোগ৷ সাধারণত মূত্রনালি, পায়ুপথ, মুখগহ্বর এবং চোখ গনোরিয়ার জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে৷ এই রোগ সাধারণত যৌনমিলন থেকে ছড়ায় এবং পুরুষ ও মহিলা উভয়েই আক্রান্ত হতে পারে৷

লক্ষনঃ

★ পুরুষের ক্ষেত্রেঃ

• মূত্রনালিতে সংক্রমণ।
• মূত্রনালি হতে পুঁজের মতো বের হয়।
• প্রস্রাব করতে কষ্ট হয়, জ্বালাপোড়া করে

[Continue Reading ...]

লো স্পার্ম কাউন্ট যেভাবে দূর করা যায়:

লো স্পার্ম কাউন্ট অর্থাৎ পর্যাপ্ত শুক্রাণুর অভাবে কম বেশি সব পুরুষই ভোগেন। একসময় সন্তান না হলে তার জন্য দায়ী করা হতো নারীকে। কিন্তু এখন জানা গেছে, সারা বিশ্বে প্রায় ৭০ মিলিয়ন মানুষ বন্ধ্যাত্বের শিকার। এর মধ্যে ৩০-৫০ শতাংশ বন্ধ্যাত্বের জন্য দায়ী পুরুষরাই। সন্তান জন্মাতে হলে যে শুক্রাণুর দরকার হয় তারও গুণমান ভালো হওয়া চাই। শুক্রাণুর গুণগত মানের হ্রাস ও শুক্রাণুর সংখ্যা কমে য

[Continue Reading ...]