News Title: গণপরিবহনে ভ্রমণে মেনে চলুন ১০ স্বাস্থ্যবিধি

 

সরকারি ছুটি শেষ হওয়ার পর খুলেছে বিভিন্ন অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। কাজেই করোনার সংক্রমণ এড়াতে গণপরিবহনে ভ্রমণে কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

যেহেতু এখনো এই ভাইরাসের কোনো টিকা বা প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি; তাই এখন সচেতন হওয়া ও স্বাস্থ্যবিধি মানা সবচেয়ে জরুরি।

আসুন জেনে নিই সংক্রমণ এড়াতে কী করবেন?

১. গণপরিবহনে যাতায়াত করলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। তিন স্তরের কাপড়ের সুতি মাস্ক সবচেয়ে ভালো। হাতে রাখুন হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা সাবান। মাথায় পরুন টুপি বা ওড়না।

২. গাড়িতে ওঠার আগে লাইনে দাঁড়ালে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলুন।

৩. লোকে ঠাসা বাস এড়িয়ে চলুন।

৪. গণপরিবহনে যাতায়াত করলে বাড়তি সতর্কতার জন্য ফেস শিল্ড ব্যবহার করুন।

৫. নিজের বাড়ি থেকে কর্মস্থলের দূরত্ব অল্প হলে হাঁটুন। এড়িয়ে চলুন গণপরিবহন।

৬. বাড়ি থেকে কর্মস্থলে যেতে ব্যক্তিগত গাড়ি, বাইক বা সাইকেল ব্যবহার করুন।

৭. এ সময় মুখে, চোখে ও নাকে হাত দেবেন না। খুব প্রয়োজন হলে, হাত ভালো করে সাবান দিয়ে ধুয়ে বা স্যানিটাইজার দিয়ে জীবাণুমুক্ত করে তারপর হাত দেবেন।

৮. বাইরের পানি কিংবা খাবার খাবেন না।

৯. এড়িয়ে চলুন মোবাইল ফোন ব্যবহার। গন্তব্যস্থলে পৌঁছে ফোন স্যানিটাইজ করে তারপর ব্যবহার করুন।

১০. কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরে গোসল করুন, পরিধান করা জামাকাপড়, মাস্ক, গ্লাভস, ফেস শিল্ড সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।
তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই


News Title: করোনার ভয়াল থাবা রুখতে মাস্ক কতটা কার্যকর?

দাবানলের মতো বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে ভয়াবহ তাণ্ডব চালাচ্ছে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস। মহামারিতে রূপ নেওয়া এই ভাইরাসের বিষাক্ত ছোবলে নিত্যদিন হু হু করে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। সর্বত্রই করোনার আতঙ্ক। এই আতঙ্কের হাত ধরে বেড়েছে মাস্কের বিক্রি। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করবে এই আশায় সকলেই মাস্ক পরিহিত অবস্থায় যাচ্ছেন সব জায়গায়। কিন্তু আদতে বহুল ব্যবহৃত এইসকল মাস্ক কতটুকু কার্যকর করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে?

রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) এর পরিচালক ড.মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, করোনা ভাইরাসের ভাইরাস এতো ক্ষুদ্র ও সূক্ষ্ম যে সেটা খুব সহজেই সাধারণ (সার্জিক্যাল) মাস্কের ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে। এই মাস্ক ব্যবহারে কোনো ধরনের প্রতিরক্ষাই নেওয়া হয় না।

ঠিক একই তথ্য জানিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড ইমিউনোলজি বিভাগের অ্যাসিসটেন্ট রিসার্চ প্রফেসর এরিন শরেল। শ্বাসযন্ত্রের রোগ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করতে এবং নিজের কাছ থেকে ছড়ানো রোধে মাস্কের ব্যবহার কোন কাজই করে না। এমনকি জনপ্রিয় N95 র‍্যাস্পাইরেটরি মাস্ক ব্যবহারেও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সার্জিক্যাল মাস্কের মতোই ফলাফল দেখিয়েছে।

এই মরণ ভাইরাস প্রতিরোধ ও ছড়ানো রোধ করতে চাইলে সবার আগে অন্য মানুষের সাথে যেকোনো ধরনের শারীরিক স্পর্শ এড়াতে হবে। হ্যান্ডশেক, কোলাকুলি করার মতো কাজগুলো সম্পূর্ণ বর্জন করা আবশ্যক।

সেই সাথে হাঁচি, কাশির সময় হাতের কনুয়ের সাহায্যে মুখ ঢেকে নিতে হবে। অথবা টিস্যু পেপার ও রুমালের সাহায্যে মুখ ঢাকতে হবে। হাঁচি, কাশি শেষে, বাইরে থেকে ঘরে ফিরে, কোন কাজ করার আগে ও পরে অবশ্যই সাবানের সাহায্যে ২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে হাত ধুতে হবে। সাথে নিজের কাছে সবসময় হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে ও ব্যবহার করতে হবে।

শ্বাসযন্ত্রের রোগ হলেও করোনা ভাইরাস সবচেয়ে বেশি ও দ্রুত ছড়ায় হাতের সাহায্যে। তাই হাত যথাসম্ভব পরিষ্কার রাখার সাথে নিজের চোখে-মুখে হাত দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে হবে।

সর্বোপরি আতঙ্কিত না হয়ে সচেতনতা অবলম্বন করলে, নিজেকে ও নিজের চারপাশের সবাইকে করোনার হাত থেকে নিরাপদ রাখা সম্ভব হবে।


End of Today's News

টনসিলাইটিস কি, কেন হয়, চিকিৎসায় করনীয় কি?

জিহ্বার পেছনে, আলজিহ্বার নিচে গলার দুইপাশে লালবর্ণের গোলাকার মাংসপিণ্ড দুটির নাম টনসিল৷ টনসিলের ইনফেকশন বা প্রদাহকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় টনসিলাইটিস বলে। সব বয়সের নারী-পুরুষের এই সমস্যা হতে পারে তবে শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হয়৷

টনসিলের কাজ : 
টনসিলের বিশেষ কাজ হলো মুখগহ্বর দিয়ে অন্ত্রে বা পেটে জীবাণু প্রবেশ করতে না দেয়া। এছাড়া এটি মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় অং

[Continue Reading ...]

সাইনোসাইটিস কি, কেন হয়, চিকিৎসায় কি ভালো হয়?

সাইনোসাইটিস অতি পরিচিত একটি সমস্যা। মুখমন্ডলের সামনের দিকে দুইজোড়া বায়ুভর্তি কুঠুরি থাকে। এই কুঠুরিগুলোকে বলা হয় সাইনাস৷ এই সাইনাসের ঝিল্লির প্রদাহকেই বলা হয় সাইনোসাইটিস।

মাথার খুলিতে অবস্থিত এই সাইনাসের বিভিন্ন কাজ রয়েছে। বলা হয়ে থাকে এইসব সাইনাস নাকের মধ্যস্থিত বাতাসকে উষ্ণ ও আর্দ্র রাখে, মাথাকে হালকা রাখে।

সাইনোসাইটিস অনেক কারণে হয়ে থাকে। সাধারণভাবে য

[Continue Reading ...]

এলার্জি কী, কেন হয়, চিকিৎসায় করনীয় কী?

ধুলা-বালি পরিষ্কার করছেন কিংবা ফুলের গন্ধ নিয়েছেন? হঠাৎ করে শুরু হল হাঁচি, সর্দি বা শ্বাসকষ্ট অথবা গরুর মাংস, ইলিশ মাছ বা চিংড়ী খেলেন? শুরু হলো চোখে বা গায়ে চুলকানি, চামড়ায় লাল লাল চাকা হয়ে ফুলে ওঠা। এগুলি সবই এলার্জির কারনে হয়ে থাকে।

এলার্জি কী? 
কোন কিছুর প্রতি শরীরের অস্বাভাবিক রকমের প্রতিক্রিয়া বা সংবেদনশীলতাকেই এলার্জি বলে। সহজভাবে বললে, মানুষের শরীরের রোগ প্রত

[Continue Reading ...]

পাইলস বা অর্শ কি, কেন হয়, চিকিৎসায় করনীয় কি?

পাইলস হলো পায়ুপথে এবং মলদ্বারের নিচে অবস্থিত প্রসারিত এবং প্রদাহযুক্ত ফোলে ওঠা ধমনী৷ মলত্যাগের সময় কষা হলে অথবা গর্ভকালীন সময়ে এই সমস্ত ধমনীর উপর চাপবেড়ে গেলে পাইলসের সমস্যা দেখা দেয়।

কি কি কারণে পাইলস হয়?
* দীর্ঘমেয়াদী অনিদ্রায় ভোগা ও শরীর কষা থাকা৷
* দীর্ঘস্থায়ী পায়খানা কষার সমস্যা দেখা দিলে৷
* মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করা ও বেশি সময় ধরে বসে থাকা৷
* অস

[Continue Reading ...]

দাঁদ কি, কেন হয়, চিকিৎসায় করনীয় কি?

মানুষের ত্বকের উপরিভাগে কেরোটিন থাকে যা ত্বক, চুল এবং নখের গঠনে সহায়তা করে৷ ফাঙ্গাস জীবানু এ কেরোটিনকে আক্রমণ করে এবং এখানেই বসবাস ও বংশবৃদ্ধি করে। এর সংক্রমণে ত্বকের কোষগুলোর অতিদ্রুত সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটতে থাকে, ফলে ওই এলাকার ত্বক আঁশ আঁশ ও মোটা-পুরু হয়ে পানি বের হওয়া বা ঘায়ের মত সৃষ্টি হওয়াকেই দাদ বা Tinea বলা হয়৷ একে রিংওয়ারমর্সও বলা হয়৷

দাদের আক্রমণের উপর ভিত্তি করে একে কয়

[Continue Reading ...]