News Title: বাংলার বিকৃত ব্যবহার বন্ধ করুন
সম্প্রতি দেশে ফোন করেছিলাম বন্ধুকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাব বলে। অল্প সময়ের কথা বলা। ভালো করে খেয়াল করলাম, দুই মিনিটের কথায় সে দুবার বলল, ‘আরে ইয়ার, কল দিবার টাইম পাও না?’ সবশেষে বলল, ‘ঠিক হ্যায়, থ্যাংকস-বাই!’ ইতিহাস বলে বাঙালি বাংলা ভাষা লিখে আসছে প্রায় হাজার বছর ধরে। সংস্কৃত ব্যাকরণ রীতি পাঠ করেই বাংলা লিখিত ভাষার চর্চা শুরু হয়েছিল। উইলিয়াম কেরি বাংলা ভাষার যে সর্বসম্মত ব্যাকরণ লিখেছিলেন, তা মূলত সাধু ভাষার ব্যাকরণ। কিন্তু কথ্য বাংলা ভাষার কোনো নির্দিষ্ট একটি চেহারা নেই। হতেও পারে না।</p> বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার কথার ধরন বৈচিত্র্যময়। তেমনি তার বিবিধ উচ্চারণ রীতি। বাক্য গঠনের বিভিন্নতা ও শব্দে আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্যের খুব বেশি প্রভাব দেখা যায়। এটা নতুন কিছু নয়।
News Title: একুশের আত্মাহুতি শুধু ভাষার জন্যই ছিল না
<p>বাঙালি বায়ান্নতে মাতৃভাষার জন্য আত্মাহুতি দিয়েছিল। এই আত্মাহুতি শুধু বাংলা ভাষাকে রক্ষার জন্যই ছিল না। বায়ান্নর একুশের দাবি আরও ব্যাপক। বাঙালির আজকের প্রতিটি অর্জনের পেছনে একুশের চেতনা জাজ্বল্যমান। একুশের চেতনা সমুন্নত রাখতে বাঙালির প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য আমাদের প্রয়াস অব্যাহত রাখতে হবে। মহান একুশে ফেব্রুয়ারি স্মরণে প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা আয়োজিত অনুষ্ঠানে আলোচকেরা এসব কথা বলেন।</p>
News Title: করোনাভাইরাস বাড়িয়ে দিচ্ছে স্বর্ণের দাম
<p>চীনের বাইরেও করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে পুঁজিবাজারে বড় ধস হয়েছে। গতকাল সোমবার বিভিন্ন পুঁজিবাজারেই সূচকের বড় পতন দেখা গেছে।</p> <p>গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজারে ডাও জোন্স সূচক দর হারায় ১ হাজার পয়েন্ট। শতাংশের দিক দিয়ে যা ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ দরপতন। অন্য সূচক এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচকটির দর কমে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ এবং নাসডাক সূচকের দর কমে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ।</p> <p>যুক্তরাজ্যের প্রধান পুঁজিবাজার লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জভিত্তিক এফটিএসই ১০০ সূচকটি লেনদেন শেষে কমে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। ২০১৬ সালের পর এত দরপতন দেখেনি এই সূচক। সে সময় যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ছাড়ার সিদ্ধান্তের কারণে পুঁজিবাজারে সূচকের ধস নামে।</p> <p>ইতালিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এর মধ্যে তিনজন মারা গেছেন। আক্রান্তের সংখ্যাও বেড়েছে। এসব আতঙ্কে মিলান স্টক মার্কেটে সূচকের দর কমেছে ৬ শতাংশ।</p> <p>একদিকে পুঁজিবাজারে দরপতন, অন্যদিকে স্বর্ণের দাম হু হু করে বাড়ছে বিশ্ববাজারে। ৭ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ দামে আছে স্বর্ণ। সেই সঙ্গে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। গতকাল সোমবার বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে প্রায় ৩ শতাংশ।</p>
News Title: ট্রাম্পের কাজে এক, মুখে আরেক
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি এমন সব নীতি এড়াতে চান, যা বিভিন্ন দেশের যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা করতে ঝামেলা পাকায়। যদিও তাঁর প্রশাসন ঠিক উল্টো কাজটিই করে আসছে। তবে ট্রাম্প এখন সেসব নীতি এড়ানোর চিন্তাভাবনা করছেন। গতকাল মঙ্গলবার এক টুইটবার্তায় এ কথা জানান তিনি। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত তিন বছরে কোটি কোটি ডলার পণ্য আমদানিতে শুল্ক বসিয়েছেন ট্রাম্প। বাণিজ্যদ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে। হঠাৎ গতকালের ওই দীর্ঘ টুইটে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি চাই না আমাদের সঙ্গে ব্যবসা করা অসম্ভব হোক। কারণ এর অর্থ দাঁড়ায়, এগুলো অন্যত্র চলে যাবে। যুক্তরাষ্ট্র এমন ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে পরিণত হতে চায় না, যেখান থেকে পণ্য কিনতে গিয়ে অন্য দেশকে সমস্যায় পড়তে হবে।’
News Title: ইনিংসে জয়ের সুবাস নিয়ে লাঞ্চে বাংলাদেশ
তা ছাড়া আর কী! ঢাকা টেস্টে আজ তৃতীয় দিনেই জয় তুলে নিতে চায় বাংলাদেশ। সেটি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। সে লক্ষ্যেই আজ চতুর্থ দিনে বোলিংয়ে শুরুটাও ভালো করেছে মুমিনুল হকের দল। দিনের ষষ্ঠ ওভারে ওপেনার কেভিন কাসুজাকে তুলে নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। এরপর আরও ২ উইকেট পড়ায় চাপে রয়েছে জিম্বাবুয়ে। মধ্যাহৃ ভোজের আগে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেটে ১১৪ রান তুলেছে জিম্বাবুয়ে। হাতে মাত্র ৫ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে এখনো ১৮১ রানে পিছিয়ে ক্রেগ আরভিনের দল। শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের উইকেটে কাল বিকেলের সেশনেই সুবিধা পাচ্ছিলেন স্পিনাররা। ২৯৫ রানে পিছিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামা জিম্বাবুয়ে তৃতীয় দিন শেষ করেছে ২ উইকেটে ৯ রান তুলে। স্বাভাবিকভাবেই আজ তাদের শুরুটা ছিল ভীষণ সাবধানী। খোলস থেকে বের হতে চাননি ব্রেন্ডন টেলর ও কাসুজা। অধিনায়ক মুমিনুল এক প্রান্ত থেকে পেসার আবু জায়েদ ও অন্য প্রান্ত থেকে তাইজুলকে দিয়ে বোলিং শুরু করান। তাঁদের বিপক্ষে দিনের ২৮তম ডেলিভারিতে গিয়ে প্রথম রানের দেখা পায় জিম্বাবুয়ে।
End of Today's News

নবজাতকের জন্য মায়ের দুধের প্রয়োজনীয়তা

মায়ের দুধ নবজাতকের জন্য একটি আদর্শ পুষ্টিকর খাবার। শিশুর জন্য মায়ের দুধের বিকল্প নাই। সন্তান জন্মদানের পর পর হ্লুদাভ ঘন যে দুধ বের হয় একে শালদুধ বা কোলষ্ট্রাম বলে। জন্মের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শিশুকে স্তন দান করতে হবে। পরিমানে কম হলেও নব্জাতকের জন্য তা যথেষ্ট। এই দুধ শিশুর প্রথম পায়খানা হতে সাহায্য করে যা জন্ডিস প্রতিরোধে সহায়ক। শাল দুধ শিশুর রোগ প্রতিরোধকারী প্রথম টিকা হিসেবে কাজ করে। শাল দুধে যেসব উপাদা আছে তা শিশুর অপরিনত অন্ত্রকে (Intensive)পরিপক্ক(Mature)হতে সাহায্য করে। মায়ের দুধ শিশুকে ডায়রিয়া,নিউমোনিয়া,কানপাকা,সেপ্সিস বিভিন্ন সংক্রামক রোগ হতে রক্ষা করে। পচুর পরিমানে পানি থাকার কারনে আলাদাভাবে পানি খাওয়ায়ানোর দরকার নেই।শুধুমাত্র মায়ের দুধেই শিশুর বৃদ্ধি বিকাশের উপাদান ডিএইচএ(DHA) আছে যার ফলে শিশুর সঠিক মানসিক বিকাশ হয়।গবেষনায় দেখা গেছে বুকের দুধ খাওয়া শিশুর অন্য শিশুর তুলনায় আইকিউ (IQ) অন্য শিশুর তুওলনায় ৩-৫ পয়েন্ট বেশী এবং এসব শিশুরা  সমাজে সহজে খাপ খাইয়ে চলতে পারে।ইউনিসেফের হিসাব মতে, তৃতীয় বিশ্বের সব মা যদি তাদের শিশুকে সঠিক নিয়মে বুকের দুধ খাওয়ান,তাহলে প্রতি বছর ১০ লাখেরও বেশি শিশুর জীবন বাঁচানো সম্ভব।শুধু শিশুর মানসিক বিকাশই নয় বুকের দুধ খাওয়ায়ালে মা ও শিশুর মধ্যে গভীর ভালবাসার সম্পর্ক স্থাপন হয়।গবেষনায় দেখা গেছে যে সব মা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান তাদের স্তন ক্যান্সার,ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার হওয়ার আশংকা ৫০% কম। তাছাড়া মায়ের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও স্থূলকায় হোয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। পরবর্তী গর্ভধারনের ঝুঁকি বিলম্বিত হয় যা জন্মনিয়ন্ত্রন পিলের মত কাজ করে।মায়ের জরায়ু সঠিক অবস্থানে ফিরে আসে। তাই মা ও শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত হয় শুধুমাত্র মাতৃদুগ্ধ দানেই। পূর্ণ ৬ মাস (১৮০ দিন) মায়ের দুধই শিশুর একমাত্র খাদ্য ও পানীয়। ১ বছরের নিচে শিশুকে গরুর দুধ খাওয়ালে শিশুর পরবর্তীতে ডায়াবেটিস,রক্তাল্পতা,আন্ত্রিক রক্ত ক্ষরণ, অ্যালার্জি, শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ, পেটের অসুখ, পানিশুন্যতার আশংকা এমনকি হঠাৎ মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়।

সতর্কতাঃ

মাতৃদুগ্ধ বিকল্প শিশু খাদ্য , বানিজ্যিকভাবে প্রস্তুতকৃত শিশুর বাড়তি খাদ্য ও উহা ব্যভারের সরঞ্জামাদি (বিপনন নিয়ন্ত্রক) আইন,২০১৩ অনূযায়ী – আমদানী,স্থানীয়ভাবে উতপাদন,বিপনন,বিক্রয় বা বিতরনের উদ্দেশ্যে, কোণ বিজ্ঞাপন মুদ্রন প্রদরশন,প্রচার বা প্রকাশ দন্ডনীয় অপরাধ। আইন অমান্যকারী ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা ও ৩ বছর কারাদন্ডে দন্ডিত হবেন। ব্যবহারের ফলে শিশুর মৃত্যু হলে বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে ৫০ লক্ষ টাকা ও ১০ বছর কারাদন্ডে দন্ডিত হবে।



Comments




Write a new comment:




//