News Title: যেভাবে ঘরোয়া উপায়ে দূর হবে ডাস্ট অ্যালার্জি

ডাস্ট অ্যালার্জির কারণে হাঁচি, কাশি ছাড়াও চোখ-নাক থেকে অনবরত পানি ঝড়ার সমস্যা, শ্বাসকষ্ট বা ত্বকে র‌্যাশও দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মুঠো মুঠো অ্যান্টি অ্যালার্জি ওষুধ খাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে! তাই ডাস্ট অ্যালার্জির সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অ্যান্টি অ্যালার্জি ওষুধের বিকল্প হিসেবে কয়েকটি ঘরোয়া উপায় কাজে লাগানো যেতে পারে। 

 

১. বেশি করে সবুজ শাক-সবজি খাওয়া। সবুজ শাক-সবজি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর সঙ্গে অ্যালার্জির প্রবণতা কমাতেও সাহায্য করে। সবুজ শাক-সবজি শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজের (মিনারেল) যোগান দেয়।
  
২. ডাস্ট অ্যালার্জির সমস্যায় গ্রিন টি খাওয়া যেতে পারে। গ্রিন টি-এর অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট উপাদান অ্যালার্জির সমস্যার সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে। চোখে লাল ভাব, র‌্যাশ বেরনো ইত্যাদি রুখতে এটি অত্যন্ত কার্যকর।
  
৩. ডাস্ট অ্যালার্জির সমস্যায় ঘি খেয়ে দেখা যেতে পারে। ফল পাওয়া যাবে ম্যাজিকের মতো। ঘি প্রাকৃতিকভাবে যে কোনো ধরনের অ্যালার্জির সমস্যার সঙ্গে লড়াই করতে সক্ষম। এক চামচ ঘি তুলোয় লাগিয়ে সরাসরি র‌্যাশে আক্রান্ত ত্বকে লাগান। ত্বকের জ্বালা ভাব, অস্বস্তি অনেকটাই কমে যাবে। প্রতিদিন ১ চামচ করে ঘি খেতে পারলে ঠান্ডা লাগা বা অ্যালার্জির সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমবে।
  
৪. মাথা যন্ত্রণা, বন্ধ নাক, চোখ-নাক দিয়ে জল পড়া ইত্যাদির সমস্যায় একটি পাত্রে গরম পানি নিয়ে তার মধ্যে কয়েক ফোঁটা ইউক্যালিপটাস তেল ফেলে তার ভাপ (ভেপার) নিন। এতে বন্ধ নাক খুলে যাবে, নাকের ভিতরে অ্যালার্জির কারণে হওয়া অস্বস্তিও কমে যাবে।


End of Today's News

করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পাবার উপায়

চীনের হুবেই প্রদেশ থেকে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে ইতিমধ্যে বিশ্বের একশত বেশিরও দেশ আক্রান্ত হয়েছে। দেশগুলোকে বারবার সতর্ক করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) । করোনা ভাইরাসে বিশ্ব জুড়ে জরুরী অবস্থা | বিরাজমান। তবে এ রোগ থেকে মুক্তির জন্য নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার না হলেও সতর্ক থেকে রক্ষা পাওয়া যায় করোনা ভাইরাস থেকে।

 

বিসিসি খবরে বলা হয়, করোনা ভাইরাস মানুষ থেকে মানুষে ঠিক কীভাবে ছড়ায় সেটি এখনও নিশ্চিত করে জানা যায়নি। তবে এই রকমের ভাইরাস থেকে রক্ষার জন্য বেশ কিছু পদ্ধতি বেশ কার্যকর। সাধারণত আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি ও কাশির সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে যা নির্গত হয় ( জলীয় পদার্থের কণা বা ড্রপলেট ) তার মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে এই ভাইরাসগুলো। তাই হাঁচি ও কাশির সময় আপনার সতর্কতা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেবে।


ভাইরাস ছড়ানো ঠেকাতে কিছু পরামর্শ : 

 

১. সাবান, পানি অথবা জিবানুনাশক জেল দিয়ে বার বরা হাত ধুয়ে নিন।

২. ব্যবহৃত টিস্যু ছুঁড়ে ফেলুন ( তারপর হাত ধুয়ে নিন)
৩. হাত না ধুয়ে চোখ, নাক এবং মুখে স্পর্শ করবেন না  

৪ . টিস্যু দিয়ে হাসি কাশি ধরে ফেলুন  

৫. টিস্যু সাথে না থাকলে জামার হাতা ব্যবহার করুন
৬. অসুস্থ লোকজনের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন­


এ বিষয়ে এনএইচএসের পরামর্শ, নিয়মিত বারবার হাত ধুতে হবে ও পরিষ্কার থাকতে হবে। হাঁচি ও কাশি দেওয়ার সময় টিস্যু দিয়ে মুখ ঢেকে রাখতে হবে। একই সঙ্গে হাত পরিষ্কার না হলে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করা যাবে না। তবে পার্সেল, প্যাকেট, চিঠি অথবা খাদ্যের মাধ্যমে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে এখনও কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে এবং প্রয়োজনে লোক সমাগম এড়িয়ে চলতে হবে। তবে এসব ভাইরাস মানব শরীরের বাইরে বেশি সময় টিকে থাকতে পারে না।


গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে প্রথম করোনা ভাইরাসের আবির্ভাব ঘটে। এরপরই বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের শরীরে প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে শ্বাসকষ্ট, জ্বর, সর্দি, কাশির মত সমস্যা দেখা দেয়। 



Comments




Write a new comment:




//