News Title: করোনায় বিশ্বে ২০ লাখ মৃত্যুর আশঙ্কা ডব্লিউএইচওর

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন সহজলভ্য হওয়ার আগেই বিশ্বব্যাপী এ ভাইরাসে ২০ লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। 

সংস্থাটির জরুরি কার্যক্রম বিষয়ক প্রধান মাইক রায়ান বলেছেন, আন্তর্জাতিকভাবে পদক্ষেপ নেওয়া না হলে এ সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। খবর বিবিসির

তিনি বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি বিশাল অঞ্চলজুড়ে উদ্বেগজনক হারে ভাইরাসটির সংক্রমণ বাড়ছে।

মাইক রায়ান স্বাস্থবিধি মেনে চলা ও সামাজিক দূরত্ব বজার রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে বিশ্বব্যাপী ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে। এখন পর্যন্ত ১৮৮টি দেশে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে গত ১১ মার্চ বিশ্বব্যাপী মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

আমেরিকার দুই মহাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ায় সংক্রমণ এখনও দ্রুত বাড়ছে। অন্যদিকে ইউরোপকে লন্ডভন্ড করে দিয়ে করোনা কিছুটা স্তিমিত হলেও সেখানে আবারও নতুন করে রোগটির প্রাদুর্ভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে।

করোনাভাইরাস বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ২৪ লাখ ৭২ হাজার ছাড়িয়েছে। আর এ মহামারিতে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৯ লাখ ৮৭ হাজার।

বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে, ২ লাখ ৩ হাজার ৭৪৬ জন। দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যাও বিশ্বে সর্বোচ্চ, ৭০ লাখ ৩২ হাজার ৫৯৫ জন। 

আর আক্রান্তের সংখ্যায় দ্বিতীয় ও মৃতের সংখ্যায় তৃতীয় অবস্থানে আছে ভারত। দেশটিতে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৫৮ লাখ ১৮ হাজার ৫৭০ জন। এ পর্যন্ত মারা গেছে ৯২ হাজার ২৯০ জন।

মৃত্যুর দিক থেকে দ্বিতীয় ও আক্রান্তের সংখ্যায় তৃতীয় অবস্থানে আছে ব্রাজিল। দেশটিতে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত এক লাখ ৪০ হাজার ৫৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬ লাখ ৮৯ হাজার ৬১৩ জন।

 

 

 

 


End of Today's News

করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পাবার উপায়

চীনের হুবেই প্রদেশ থেকে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে ইতিমধ্যে বিশ্বের একশত বেশিরও দেশ আক্রান্ত হয়েছে। দেশগুলোকে বারবার সতর্ক করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) । করোনা ভাইরাসে বিশ্ব জুড়ে জরুরী অবস্থা | বিরাজমান। তবে এ রোগ থেকে মুক্তির জন্য নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার না হলেও সতর্ক থেকে রক্ষা পাওয়া যায় করোনা ভাইরাস থেকে।

 

বিসিসি খবরে বলা হয়, করোনা ভাইরাস মানুষ থেকে মানুষে ঠিক কীভাবে ছড়ায় সেটি এখনও নিশ্চিত করে জানা যায়নি। তবে এই রকমের ভাইরাস থেকে রক্ষার জন্য বেশ কিছু পদ্ধতি বেশ কার্যকর। সাধারণত আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি ও কাশির সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে যা নির্গত হয় ( জলীয় পদার্থের কণা বা ড্রপলেট ) তার মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে এই ভাইরাসগুলো। তাই হাঁচি ও কাশির সময় আপনার সতর্কতা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেবে।


ভাইরাস ছড়ানো ঠেকাতে কিছু পরামর্শ : 

 

১. সাবান, পানি অথবা জিবানুনাশক জেল দিয়ে বার বরা হাত ধুয়ে নিন।

২. ব্যবহৃত টিস্যু ছুঁড়ে ফেলুন ( তারপর হাত ধুয়ে নিন)
৩. হাত না ধুয়ে চোখ, নাক এবং মুখে স্পর্শ করবেন না  

৪ . টিস্যু দিয়ে হাসি কাশি ধরে ফেলুন  

৫. টিস্যু সাথে না থাকলে জামার হাতা ব্যবহার করুন
৬. অসুস্থ লোকজনের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন­


এ বিষয়ে এনএইচএসের পরামর্শ, নিয়মিত বারবার হাত ধুতে হবে ও পরিষ্কার থাকতে হবে। হাঁচি ও কাশি দেওয়ার সময় টিস্যু দিয়ে মুখ ঢেকে রাখতে হবে। একই সঙ্গে হাত পরিষ্কার না হলে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করা যাবে না। তবে পার্সেল, প্যাকেট, চিঠি অথবা খাদ্যের মাধ্যমে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে এখনও কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে এবং প্রয়োজনে লোক সমাগম এড়িয়ে চলতে হবে। তবে এসব ভাইরাস মানব শরীরের বাইরে বেশি সময় টিকে থাকতে পারে না।


গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে প্রথম করোনা ভাইরাসের আবির্ভাব ঘটে। এরপরই বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের শরীরে প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে শ্বাসকষ্ট, জ্বর, সর্দি, কাশির মত সমস্যা দেখা দেয়। 



Comments




Write a new comment:




//